এসিফিন হল বাংলাদেশের এসিআই (ACI) কোম্পানি দ্বারা বাজারজাতকৃত, সেফট্রায়াক্সন সোডিয়াম (Ceftriaxone Sodium) গ্রুপের একটি এন্টিবায়োটিক ইনজেকশন যা শরীরের বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার চিকিৎসা এবং সার্জারীর সময় ব্যবহৃত হয়। সরবরাহ:-
১. Aciphin IM/IV Injection 250 mg/vial (এসিফিন আইএম/আইভি ইনজেকশন ২৫০ মি.গ্রা./ভায়াল), প্রতি পিস: 100.30৳
২. Aciphin IM/IV Injection 500 mg/vial (এসিফিন আইএম/আইভি ইনজেকশন ৫০০ মি.গ্রা./ভায়াল), প্রতি পিস: 145৳
৩. Aciphin IM/IV Injection 1 gm/vial (এসিফিন আইএম/আইভি ইনজেকশন ১০০০ মি.গ্রা./ভায়াল), প্রতি পিস: 191.29৳/200৳
৪. Aciphin IV Injection 2 gm/vial (এসিফিন আইএম/আইভি ইনজেকশন ২০০০ মি.গ্রা./ভায়াল), প্রতি পিস: 320৳
Aciphin ইনজেকশন এর কাজ
এসিফিন বা সেফট্রায়াক্সন ইনজেকশন নিম্ন শ্বসনতন্ত্রের সংক্রমন, একিউট ব্যাকটেরিয়াল ওটাইটিস মিডিয়া, চর্ম ও চর্ম সংক্রান্ত সংক্রমণ, মূত্রতন্ত্রের সংক্রমন, গনোরিয়া, ব্যাকটেরিয়াল সেপটিসেমিয়া, অস্থি ও অস্থিসন্ধির সংক্রমন, মেনিনজাইটিস, অপারেশন পরবর্তী সংক্রমন প্রতিরোধে, অপারেশন পূর্ব ও পরবর্তী সংক্রমনে প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Aciphin ইনজেকশন ব্যবহারের নিয়ম
নবজাতক ও শিশু (১ মাস অথবা তদুর্ধ): সাধারণ মাত্রায় দৈনিক ৫০-৭৫ মিঃগ্রাঃ/কেজি দেহ ওজনে শিরায়/মাংসপেশীতে ইনজেকশনের মাধ্যমে (অথবা দৈনিক দুইবার সমবিভক্ত মাত্রায়)।
প্রাপ্ত বয়স্ক: সাধারণ মাত্রায় দৈনিক ১-২ গ্রাম শিরায়/মাংসপেশীতে ইনজেকশনের মাধ্যমে (অথবা দৈনিক দুইবার সমবিভক্ত মাত্রায়)।
চিকিৎসার মেয়াদকাল: সংক্রমণের লক্ষণ ও উপসর্গসমূহ উপশম হওয়ার পরে আরও ২ দিন ব্যবহার করতে হবে। চিকিৎসার স্বাভাবিক মেয়াদকাল ৭ থেকে ১৪ দিন। জটিল সংক্রমণের চিকিৎসায় আরও বেশী সময় ব্যবহার করতে হবে (অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শে)।
বিদ্র: ইনজেকশন সরাসরি মাংসপেশী/শিরাতে ২-৪ মিনিট ধরে অথবা আন্তঃশিরা ইনফিউশন টিউবিং এর মাধ্যমে ৩০ মিনিট ধরে প্রয়োগ করতে হবে।
গর্ভাবস্থায় Aciphin এর ব্যবহার
গর্ভবতী মহিলাদের উপর পর্যাপ্ত এবং সুনিয়ন্ত্রিত কোন তথ্য নেই। গর্ভাবস্থায় এই ওষুধটি শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলেই (ডাক্তারের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত)।
এসিফিন ইনজেকশন এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
সেফট্রায়াক্সন সাধারনত সুসহনীয়। অল্প কিংবা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো:—
গ্যাস্ট্রোইন্টেসটাইনাল সমস্যা যেমন ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, বমি হওয়া, স্টমাটাইটিস, গ্লসাইটিস; কিউটেনিয়াস প্রতিক্রিয়া যেমন ত্বকের লালচে ভাব, pruritus (চুলকানী), আরটিকেরিয়া, ইডিমা ও ইরাইথেমা মাল্টিফর্ম; হিমাটোলজিক প্রতিক্রিয়া যেমন:—
ইওসিনোফিলিয়া, থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া, লিউকোপেনিয়া, অ্যানিমিয়া ও নিউট্রোপেনিয়া; যকৃতের প্রতিক্রিয়া যেমন SGOT ও SGPT এর মাত্রা বৃদ্ধি, বিলিরুবনেমিয়া; কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রতিক্রিয়া যেমন, স্নায়ু দূর্বলতা, দ্বিধা গ্রস্থতা, ঘুমের সমস্যা, মাথা ব্যথা, হাইপার অ্যাকটিভিটি, খিঁচুনি, হাইপারটনিয়া এবং ঝিমুনী ভাবের তথ্য পাওয়া গিয়েছে।
শিরায় ইনজেকশনের কারণে স্থানীয় ফ্লেবাইটিস কদাচিৎ হতে পারে কিন্তু ধীরগতিতে ২-৪ মিনিট ধরে ইনজেকশন প্রয়োগ করলে এই সমস্যা কমে যায়।