|
| Medicine Name | : | Demoxiclave Suspension Syrup |
|---|---|---|
| Dosage | : | 125 mg+31.25 mg/5 ml |
| Generic Name | : | Amoxicillin + Clavulanic Acid |
| Therapeutic Class | : | Drugs for bacterial infections(Anti-bacterial), Broad spectrum penicillins |
| Company Name | : | Drug International Ltd. |
Demoxiclave Syrup এর কাজ
ডিমোক্সিক্ল্যাভ; শ্বাসনালীর সংক্রমণ, তীব্র ব্যাকটেরিয়াল ওটিটিস মিডিয়া, সাইনোসাইটিস, ত্বক এবং ত্বকের গঠনের সংক্রমণ, মূত্রনালীর সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ
১. শ্বাসনালীর উপরিভাগের সংক্রমণ (নাক, কান, গলাসহ) যেমন- টনসিলের প্রদাহ, সাইনাসের প্রদাহ, মধ্যকর্ণের প্রদাহ ইত্যাদি।
২. শ্বাসনালীর নিম্নভাগের সংক্রমণ যেমন- তীব্র এবং দীর্ঘ মেয়াদী ব্রংকিয়াল প্রদাহ, লোবার এবং ব্রংকোনিউমোনিয়া ইত্যাদি।
৩. মূত্র ও যৌন নালীর সংক্রমণ যেমন- মূত্রথলির প্রদাহ, মূত্রনালীর প্রদাহ, পায়েলোনেফ্রাইটিস ইত্যাদি।
৪. চর্ম ও নরম কলার সংক্রমণ।
৫. অস্থি ও অস্থিসন্ধির সংক্রমণ যেমন অস্থি মজ্জার প্রদাহ।
৬. অন্যান্য সংক্রমণ যেমন- সংক্রমিত গর্ভপাত, গর্ভপরবর্তী সেপসিস, ইন্ট্রা-অ্যাবডোমিনাল সেপসিস, ইত্যাদি।
Demoxiclave Syrup খাওয়ার নিয়ম
ডিমোক্সিক্লাভ সাসপেনশন:
★ ৬-১২ বছরের শিশু: ২ চামচ প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর।
★ ১-৬ বছরের শিশু: ১ চামচ প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর।
★ ১ বছরের নীচে শিশু: শিশুর প্রতি এক কেজি ওজনের জন্য দিনে ২৫ মি.গ্রা. প্রতি ৮ ঘন্টা অন্তর সেব্য।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে Demoxiclave Syrup এর ব্যবহার
ডিমোক্সিক্ল্যাভ (এমোক্সিসিলিন + ক্লাভুলানিক এসিড): গর্ভাবস্থার ২য় ট্রাইমেস্টার থেকে রোগীর অবস্থার উপর নির্ভর করে দেয়া যেতে পারে।
প্রাণীদের ক্ষেত্রে মুখে এবং প্যারেন্টেরাল কো-অ্যামোক্সিক্লাভ প্রয়োগের পর গর্ভস্থ প্রাণীর অংগ বিকাশের উপর কোন প্রভাব লক্ষ্য করা যায় না।
নির্দিষ্ট সংখ্যক রোগীদের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় এ ওষুধ মুখে প্রয়োগের পর কোনরূপ বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় নাই। তথাপি চিকিৎসক কর্তৃক একান্ত অপরিহার্য বিবেচিত না হলে গর্ভাবস্থায় কো-অ্যামোক্সিক্লাভ গ্রহণ করা উচিত নয়। স্তন্যদানকালীন সময়ে খুবই সামান্য পরিমাণ এমোক্সিসিলিন মাতৃদুগ্ধে পাওয়া যায়।
Demoxiclave Syrup এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া: এমোক্সিসিলিন এককভাবে সেবন করলে যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়, কো-এমোক্সিক্লাভ সেবনে সাধারণত তা দেখা যায় না এবং দেখা গেলে সেগুলো খুবই মৃদু ধরণের। ডায়রিয়া, সিউডোমেমব্রেনাস কোলাইটিস, অপাচ্যতা, বমি বমি ভাব, বমি এবং ক্যানডিডিয়াল সংক্রমণ দেখা যেতে পারে।
সতর্কতা: যকৃতের তীব্র কার্যক্ষমতা হ্রাস বা রক্ত জমাট বিরোধী চিকিৎসা গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে ইহা সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত। ইহা উচ্চ মাত্রায় সেবনকালে প্রচুর পানি পান করা উচিত যাতে প্রচুর মূত্রত্যাগের মাধ্যমে ক্রিস্টালইউরিয়ার সম্ভাব্যতা হ্রাস পায়।
