|
| Medicine Name | : | Ecosprin 81mg Tablet |
|---|---|---|
| Dosage | : | 81 mg |
| Generic Name | : | Aspirin |
| Therapeutic Class | : | Antiplatelet & anti-fibrinolytic/haemostatic drugs, Drugs for Ischemic Stroke, Analgesics & Anti-pyretic |
| Company Name | : | ACME Laboratories Ltd. |
Ecosprin 81 mg Tablet এর কাজ
ইকোস্প্রিন - জ্বর, মাথাব্যথা, ব্যথা/প্রদাহ, তীব্র করোনারি সিন্ড্রোম, টিআইএ, এমআই, স্ট্রোক এর কাজে নির্দেশিত। অর্থাৎ,
ধমনীর প্রতিবন্ধকতার প্রতিষেধক হিসেবে: মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন, মায়োকার্ডিয়াল রি-ইনফার্কশন, বাইপাস সার্জারী, একিউট ইস্কেমিক স্ট্রোক/ট্রানজিয়েন্ট ইস্কেমিক স্ট্রোক (টিআইএ)।
মৃদু থেকে মাঝারী ধরণের ব্যথা: মাথা ব্যথা, মাংসপেশীর ব্যথা, ঋতুকষ্ট ও দাঁতের ব্যথা।
ব্যথা এবং প্রদাহজনিত দীর্ঘস্থায়ী রোগ: অস্থিসন্ধির বাতজনিত ব্যথা।
জ্বর উপশমক হিসেবে: ঠাণ্ডা জ্বর ও ইনফ্লুয়েঞ্জার মত সাধারণ জ্বরে ব্যবহার্য।
Ecosprin Tablet খাওয়ার নিয়ম
ব্যথা, প্রদাহজনিত রোগ ও জ্বরে: এ্যাসপিরিন ৩০০ মি.গ্রা. ১-৩ টি ট্যাবলেট ৬ ঘন্টা পর পর এবং দিনে সর্বোচ্চ ৪ গ্রাম।
সাস্পেক্টেড একিউট করোনারি সিনড্রোম: সুনির্দিষ্ট প্রতিনির্দেশনা না থাকলে তাৎক্ষণিক মাত্রা ১৫০ মি.গ্রা. থেকে ৩০০ মি.গ্রা.।
মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনের পরে: মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনের পরবর্তী একমাস ১ টি করে এ্যাসপিরিন ১৫০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট এবং এর পরে দৈনিক ইকোনি ৭৫ মি.গ্রা. ১টি করে ট্যাবলেট।
একিউট ইস্কেমিক স্ট্রোক/ট্রানজিয়েন্ট ইস্কেমিক স্ট্রোক (টিআইএ): প্রারম্ভিক মাত্রা দৈনিক ১৫০ মি.গ্রা. থেকে ৩০০ মি.গ্রা. এবং পরবর্তীতে ৭৫ মি.গ্রা.।
বাইপাস সার্জারীর পরে: বাইপাস সার্জারীর ৬ ঘন্টা পর থেকে প্রতিদিন ৭৫ মি.গ্রা. থেকে ৩০০ মি.গ্রা.।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে Ecosprin Tablet এর ব্যবহার
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে সুনির্দিষ্টভাবে নির্দেশিত না হলে গর্ভাবস্থার শেষ ৩ মাসে এ্যাসপিরিন ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ ইহা গর্ভে অবস্থানরত শিশুর ক্ষতি করতে পারে এবং প্রসবের সময় সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
এ্যাসপিরিন মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হয়, তাই দুগ্ধদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে ইহা সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।
Ecosprin Tablet এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া: চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত মাত্রার কারভোর খুব সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াসমূহের মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব, বদহজম, পরিপাকতন্ত্রের ঝিল্লির প্রদাহসহ ক্ষত ও ফুসফুসের খিচুনী ইত্যাদি।
প্রতিনির্দেশনা: ১২ বছরের নীচে বাচ্চাদের (রেইজ সিনড্রোম), দুগ্ধাদানকারীদের, সক্রিয় পেপটিক আলসারে এ্যাসপিরিন প্রতিনির্দেশিত। হিমোফিলিয়া, ইন্ট্রাক্রেনিয়াল হিমোরেজ এবং অন্যান্য ক্ষত থেকে রক্ত নিঃসরণের ক্ষেত্রেও ইহা প্রতিনির্দেশিত।
সতর্কতা: হাঁপানী, অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ এবং গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। নাকের পলিপ এবং এলার্জি রোগীদের ক্ষেত্রে ইহা সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।
মাত্রাধিক্যতা: অতিরিক্ত পরিমাণে মাথা ঘোরা, টিনিটাস, ঘাম, বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়া, বিভ্রান্তি এবং হাইপারভেন্টিলেশন হয়। অতিমাত্রায় ওভারডেজের ফলে কোমা, কার্ডিওভাসকুলার পতন এবং শ্বাসকষ্টের চাপ সহ সিএনএসের ডিপ্রেশন দেখা দিতে পারে।
যদি অতিরিক্ত পরিমাণে সন্দেহ করা হয় তবে রোগীকে কমপক্ষে ২৪ ঘন্টা পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে, কারণ লক্ষণগুলি এবং রক্তে স্যালিসিলেটের মাত্রা বেশ কয়েক ঘন্টা ধরে স্পষ্ট নাও হতে পারে।
ওভারডেজের চিকিৎসার মধ্যে গ্যাস্ট্রিক ল্যাভেজ এবং জোর করে ক্ষারীয় ডিউরেসিস থাকে। গুরুতর ক্ষেত্রে হেমোডায়ালাইসিসের প্রয়োজন হতে পারে।