Tenoloc 50 mg Tablet | টেনোলক ৫০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট এর কাজ, খাওয়ার নিয়ম, দাম ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

Admin
Pack Image: Tenoloc 50 mg Tablet
MRP: 0.77 TK (প্রতি পিস)
More Details of Tenoloc 50 mg Tablet:—
Medicine Name : Tenoloc 50mg Tablet
Dosage : 50 mg
Generic Name : Atenolol
Therapeutic Class : Drugs for hypertension(Anti-hypertensive), Drugs for arrhythmias (Anti-arrhythmic), Prophylactics of Migraine.
Company Name : ACME Laboratories Ltd.

Tenoloc 50 mg Tablet এর কাজ

টেনোলক; উচ্চ রক্তচাপ, মাইগ্রেন, অ্যারিথমিয়া, এমআই, এনজিনা পেক্টোরিস রোগে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ,

উচ্চরক্তচাপের ব্যবস্থাপনায়। এটি এককভাবে অথবা অন্যান্য উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রনের ওষুধের সাথে যৌথভাবে, বিশেষ করে থায়াজাইড-টাইপ ডাইইউরেটিক সমূহের সাথে প্রয়োগ করা যেতে পারে।

এ্যানজিনা পেক্টোরিস (হৃদপিণ্ডে অপর্যাপ্ত রক্ত সঞ্চালন জনিত বুকে তীব্র ব্যথা) রোগীর দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থাপনায়।

যেসকল রোগীর শরীরে রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক বা স্থিতিশীল কিন্তু সুনির্দিষ্ট অথবা তীব্র মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনের (হৃদপিণ্ডে অপর্যাপ্ত রক্ত সঞ্চালন জনিত কারণে হৃদপেশীর ধ্বংস হওয়ার) আশা রয়েছে তাদের হৃদরোগ সংক্রান্ত মৃত্যুহার কমানোর জন্য।

Tenoloc Tablet খাওয়ার নিয়ম

টেনোলক (এটিনোলল) এর প্রারম্ভিক মাত্রা হচ্ছে ৫০ মিগ্রা এর একটি ট্যাবলেট দিনে একবার। এই মাত্রায় ওষুধটির কার্যকারিতা সম্পূর্ণভাবে চিকিৎসা শুরু করার এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রতিয়মান হয়। যদি পর্যাপ্ত ফলাফল অর্জিত না হয় সেক্ষেত্রে এটিনোললের মাত্রা বৃদ্ধি করে দিনে ১০০ মিগ্রা এর একটি ট্যাবলেট প্রয়োগ করা উচিত।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে Tenoloc Tablet এর ব্যবহার

টেনোলক এর প্রেগনেন্সি ক্যাটাগরি ডি (এটি গর্ভাবস্থায় সেবন নিষিদ্ধ)। স্তন্যদানকারী মায়ের ক্ষেত্রে এটিনোলল প্রয়োগে সর্তকা অবলম্বন করা উচিত।

এক্ষেত্রে দুগ্ধ গ্রহণকারী শিশুর মারাত্মক ব্রাডিকার্ডিয়া (স্বাভাবিকের চেয়ে কম হৃদস্পন্দন) হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। অপরিনত ভাবে জন্ম নেওয়া শিশু অথবা কিডনীর কার্যকারিতার সমস্যা আছে এমন শিশুর ক্ষেত্রে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা আরও বেশি হতে পারে।

Tenoloc Tablet এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

যেকোন বিটা ব্লকার এর প্রত্যাশার মতোই, চিকিৎসাধীন অনেকগুলো অনুসন্ধানে খুব সাধারণভাবে এ্যাকিউট মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন, ব্রাডিকার্ডিয়া (স্বাভাবিকের চেয়ে কম হৃদস্পন্দন) এবং নিম্ন রক্তচাপ ঘটেছে। অধিকন্তু, অন্যান্য বিটা-এ্যাড্রেনার্জিক ব্লকিং উপাদানসমূহের যে বিভিন্ন বিরূপ প্রতিক্রিয়ার তথ্য পাওয়া গেছে এবং সে বিরূপ প্রতিক্রিয়াগুলোও বিটানলের সম্ভাব্য বিরূপ প্রতিক্রিয়া বলে বিবেচনা করা যেতে পারে।

রক্ত সম্বন্ধীয়: রক্তে গ্র্যানুলোসাইটস্ এর পরিমাণ কমে যাওয়া।

এলার্জিক: জ্বর, এক সঙ্গে গলদাহ এবং ব্যথা, কণ্ঠনালীর শ্বাস-প্রশ্বাস সম্বন্ধীয় যন্ত্রণা।

সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম: অস্থায়ী মানসিক বিষাদগ্রস্ততা যা ক্যাটাটোনিয়ার দিকে ধাবিত হয়। একটি তীব্র অস্থায়ী লক্ষণ যা স্থান ও কাল সম্পর্কে রোগীকে বিভ্রান্ত করে; স্বল্প সময়ের জন্য স্মৃতিশক্তি লোপ; মানসিক বাধ্যবাধকতা সাথে নিরানন্দময় অবস্থা এবং নিউরোসাইকোমেট্রিক্স (বুদ্ধিবৃত্তিক) কার্যকারীতা হ্রাস পাওয়া।

গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল: মেসেন্টেরিক (মধ্যান্ত্রত্বক সম্বন্ধীয়) আর্টারিয়াল গ্রোম্বোসিস, ইসকিমিক কোলাইটিস (রক্তপ্রবাহ হ্রাস সংক্রান্ত কোলনের প্রদাহ)।

অন্যান্য: চামড়ার উপর হওয়া ছোট ছোট ফুসকুড়ির মত র‍্যাশ।

বিবিধ: বিটা-এ্যাড্রেনার্জিক ব্লকিং ওষুধ ব্যবহারে ত্বকের র‍্যাশ এবং/অথবা চোখ শুস্ক হয়ে যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। যদি প্রতিক্রিয়া অন্য কোন ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না যায় তবে ওষুধটি গ্রহণ থেকে বিরত থাকার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। চিকিৎসা বন্ধের ক্ষেত্রে রোগীকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

সতর্কতা

সাধারণ: কোন একটি বিটা ব্লকার গ্রহণ করছে এমন রোগীর উপর বিটানল প্রয়োগের পূর্বে অবশ্যই রোগীকে যত্নসহকারে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। চিকিৎসা সম্পর্কিত পর্যবেক্ষণ যেমন- নাড়ির স্পন্দন এবং উচ্চ রক্তচাপ এর উপর ভিত্তি করে বিটানলের প্রারম্ভিক এবং পরবর্তী মাত্রার নিম্নাভিমুখী সমন্বয় করতে হবে। বিটানল পার্শ্বিয় রক্ত নালীর রক্ত সংবহনের সমস্যার অবনতি ঘটাতে পারে।

বৃক্কের অকার্যকারীতায়: রেনালের (যেসকল রোগীর বৃক্কের/ কিডনীর অকার্যকারীতার সমস্যা রয়েছে) কার্যকারীতার সমস্যার রোগীর ক্ষেত্রে ওষুধটি সর্তকতার সাথে প্রয়োগ করা উচিত।

বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যবহার: করোনারী এ্যাথেরোস্কেরোসিসের কারণে সংঘঠিত উচ্চ রক্তচাপ এবং এনজিনা পেক্টরিস রোগীর ক্ষেত্রে: বয়স্ক রোগীদের মাত্রা নির্ধারণের ক্ষেত্রে সর্তকতা অবলম্বন করা উচিত, স্বাভাবিকভাবে মাত্রা পরিসীমার সর্বনিম্ন মাত্রা দিয়ে চিকিৎসা শুরু করা উচিত, তাছাড়া মাত্রা নির্ধারণের ক্ষেত্রে রোগীর যকৃত/লিভার, কিডনী/ বৃক্ক অথবা হৃদপিন্ডের কার্যকারিতা এবং রোগীর অন্যান্য রোগ অথবা রোগী অন্য যেসকল ওষুধ ব্যবহার করছেন। সে বিষয়গুলোও বিবেচনায় আনতে হবে

এ্যাকিউট মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন: সাধারণত, বয়স্ক রোগীর মাত্রা নির্বাচনের ক্ষেত্রে সর্তকতা অবলম্বন করা উচিত এবং তা স্বাভাবিকভাবে মাত্রা পরিসীমার সর্বনিম্ন মাত্রা দিয়ে চিকিৎসা শুরু করা উচিত। তাছাড়া মাত্রা নির্ধারণের ক্ষেত্রে রোগীর যকৃত/লিভার, কিডনী/বৃক্ক অথবা হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা এবং রোগীর অন্যান্য রোগ অথবা রোগী অন্য যে সকল ওষুধ ব্যবহার করছেন সে বিষয়গুলোও বিবেচনায় আনতে হবে। উচ্চ রক্তচাপ অথবা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন এর রোগীদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সর্বদা কিডনীর কার্যকারীতা পরিমাপ করা উচিত।

Post a Comment